EduClock অ্যাপ খুলুন

ব্যবহার গাইড

একা খেলার অ্যাপএটা নয়।

EduClock-এ ট্যাপ করলে প্রশংসা করা চরিত্র নেই, লেভেল শেষ করার কিছু নেই, জমানোর স্ট্যাম্পও নেই। স্ক্রিন ইচ্ছাকৃতভাবে সরল রাখা হয়েছে, কারণ তার বদলে পাশে বসা বড়দের কণ্ঠস্বরই সবচেয়ে বড় শিক্ষাসামগ্রী।

এই গাইড সেই “বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের সময়”-এর জন্য একটা ছোট চিত্রনাট্য হিসেবে লেখা। ৭টি ধাপ একদিনে সব করার প্রয়োজন নেই। আপনার সন্তানের “ঠিক এখন”-কে খোঁজার এক ভ্রমণ ভেবে, নির্ভার হয়ে শুরু করুন।

সূচি — ৭টি ধাপ

  1. 01 শুরু হোক “আছে”, “গোলাকার” দিয়ে।
  2. 02 “ছোট কাঁটা”-কেই শুধু অনুসরণ করুন।
  3. 03 slices → detailed, ধাপে ধাপে।
  4. 04 auto rotation দিয়ে, একদিনকে ২৪ সেকেন্ডে বানান।
  5. 05 একই ৭টা, অথচ ভেতরটা আলাদা।
  6. 06 merge করলে সাধারণ ঘড়ি। split করলে ভেতরের কাঠামো।
  7. 07 random দিয়ে, প্রশ্ন → উত্তর।
01 প্রায় ১ বছর থেকে / উপস্থিতির সাথে পরিচয়

শুরু হোক “আছে”, “গোলাকার” দিয়ে।

সেটিং simple × badge × স্পষ্ট রঙ

EduClock একদম ন্যূনতম কাঠামোয় খোলা স্ক্রিন। বাইরের মিনিট সংখ্যা মুছে, রঙিন বড় ব্যাজ ১–১২ এবং নিচে PM ১৩–২৩ পাশাপাশি সাজানো।
বাইরের মিনিট সংখ্যা মুছে, শুধু ব্যাজ। তথ্য সাহস করে কমিয়ে দিন।

বাইরের মিনিট সংখ্যা মুছে, ঘড়ির ভেতরের সংখ্যাই শুধু রেখে — সবচেয়ে ন্যূনতম তথ্যের চেহারায় দেখান। প্রথমে এক গাদা তথ্য ঢেলে না দেওয়া — এই অ্যাপের ব্যবহারে এটাই সবচেয়ে জরুরি কথা।

এই ধাপে “এখন ক’টা?” শেখানোর কোনো প্রয়োজনই নেই। গোল, রঙ আছে, ধীরে ধীরে নড়ে — এমন কিছু বাচ্চার জীবনে আছে, এই স্পর্শটুকুই যথেষ্ট। দেয়ালঘড়ি শিশু আঙুলে ইঙ্গিত করতে ১ বছর সময় নেয় — তেমনই, “উপস্থিতির সাথে পরিচয়” হওয়ার সময়টা ঠিকঠাক দিতে হবে।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“দেখো, এখন, নীলের জায়গায়।”

“নীল!”

“হ্যাঁ, নীল।”

টিপ: বাবা-মা আগে কথা বলুন। উত্তর মিলিয়ে দেখার দরকার নেই। এখনই ঠিক উত্তর দেওয়ানোরও দরকার নেই।

02 প্রায় ২–৩ বছর / আন্দাজে পড়া

“ছোট কাঁটা”-কেই শুধু অনুসরণ করুন।

সেটিং simple × badge (ছোট কাঁটার রঙের দিকে লক্ষ্য)

EduClock ট্যাবলেটে ন্যূনতম কাঠামোয়। ১–১২ ও ১৩–২৩-এর রঙিন ব্যাজ ডানে-বাঁয়ে; ছোট কাঁটা কোন রঙে আছে, শুধু তাতেই সময় বোঝা যাচ্ছে।
ছোট কাঁটা এখন কোন রঙের ব্যাজের দিকে — শুধু সেটাই দেখুন।

বড়রা ভাবেন বড় ও ছোট কাঁটা একসাথেই পড়ছেন, আসলে কিন্তু প্রথমে ছোট কাঁটা দিয়ে “প্রায় ক’টা”-র ঘরটা বুঝে, পরে বড় কাঁটা দিয়ে মিনিট ভরে দেন। পড়ার ক্রম সবসময়ই ছোট কাঁটা আগে।

শিশুকেও সেই ক্রমেই। আলোচনা করুন শুধু ছোট কাঁটা কোন রঙে আছে, আর তার পাশের সংখ্যায়। “নিখুঁত” লক্ষ্য নয়, লক্ষ্য “আন্দাজ”। বড় হয়েও তো, কাজ সময়মতো ধরা পড়বে কি না, তা বেশিরভাগ সময় ‘আন্দাজেই’ ঠিক হয়ে যায়।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“ছোট কাঁটা, কোন রঙে?”

“হলুদ!”

“হলুদ মানে… ২-এর জায়গায়। এখন আন্দাজে ২টা বাজে, না?”

টিপ: আঙুলে সংখ্যা অনুসরণ করানোর চেয়ে রঙ বলতে বলা বেশি সহজ। রঙে উত্তর দিতে পারলে পরের ধাপে ‘এই রঙ মানে এই ঘণ্টা’ যোগ করে নিন।

03 প্রায় ৪–৫ বছর / ভালোভাবে পড়া

slices → detailed, ধাপে ধাপে।

সেটিং slices, তারপর detailed

detailed মোডে EduClock। বাইরের দিকে ১ থেকে ৬০ পর্যন্ত মিনিট সংখ্যা, বড় কাঁটা মিনিটের কোথায় পৌঁছেছে দেখাচ্ছে — শিক্ষামূলক ঘড়ির স্ক্রিন।
বাইরের দিকে ১–৬০ মিনিট সংখ্যা ফুটে ওঠে, “বড় কাঁটা কতদূর গেছে” চোখে দেখা যায়।

“simple” মোডে ঘড়ির উপস্থিতি ও রঙের সাথে অভ্যস্ত হলে, “slices” মোডে যান। সময়ের সীমানা রেখা হয়ে ভেসে ওঠে, ‘১ ঘণ্টা’ নামক খণ্ডটা দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। বড়দের চোখে প্রায় কিছুই বদলায় না, শিশুর চোখে কিন্তু ‘একটি ঘর’ তৈরি হওয়ার মতো বড় পরিবর্তন।

তারপর, অবশেষে “detailed”। বাইরের দিকে ১ থেকে ৬০ পর্যন্ত মিনিট সংখ্যা আসে, মিনিটের হিসাব ভেসে ওঠে। এই মুহূর্তেই একটি লাইন পৌঁছে দেওয়ার আছে।

「ছোট কাঁটা কাছের সংখ্যা দেখায়। বড় কাঁটা লম্বা বলে, দূর পর্যন্ত পৌঁছায়।」

বড় ও ছোট কাঁটার নামের মতোই ভূমিকা। এই এক লাইন মাথায় বসার মুহূর্তে, শিশুরা চোখ গোল করে “আরে, তাই তো!” বলে ওঠে। ঘড়ি পড়া শেখার আসল শুরু ঠিক সেখান থেকেই।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“বড় কাঁটা, কোন সংখ্যার কাছে?”

“…৩০!”

“হ্যাঁ। ছোট কাঁটা, ৯-কে একটু পেরিয়ে। তাই, এখন ৯টা ৩০।”

টিপ: ‘মিনিট’ প্রথমে ৫ লাফ দিয়ে শেখা সবচেয়ে দ্রুত। ৫, ১০, ১৫… একসাথে আঙুল দেখিয়ে বললে, ১০ পর্যন্ত বেশ তাড়াতাড়িই ধরা পড়ে যায়।

04 যেকোনো বয়সে / সময়ের প্রবাহ অনুভব করা

auto rotation দিয়ে, একদিনকে ২৪ সেকেন্ডে বানান।

সেটিং auto rotation ON (যেকোনো মোডে)

auto rotation চলছে। একদিন প্রায় ২৪ সেকেন্ডে বয়ে যায়, সূর্য ও চাঁদ আর আকাশের রঙ সকাল → দুপুর → বিকেল → রাতে বদলে যায়।

সাধারণ ঘড়ি যত্ন করে দেখলে কোনোমতে চলছে বোঝা যায়, কিন্তু শিশুদের অনুভূতিতে প্রায় “থেমে আছে”-র কাছাকাছি। “auto rotation” হলো এক দিনকে প্রায় ২৪ সেকেন্ডে চেপে কাঁটা ঘোরানোর মোড। ভোরের আকাশ → দুপুর → বিকেল → রাতের আকাশ — পেছনের রঙও একসাথে বয়ে যায়।

এখানে কোনোভাবেই মিস করা যাবে না — এই এক মুহূর্ত। ঘড়ির কিনারার বাঁ-নিচ দিক থেকে, সূর্য ধীরে ধীরে উঠে আসে। “দেখো, সূর্য উঠে আসছে…” — এই এক ডাকেই, ‘সময়ের প্রবাহ’ — এই অদৃশ্য জিনিসটা শেষ পর্যন্ত দৃশ্য হয়ে ওঠে।

ছোট্ট একটা গল্প

“ছোট কাঁটা ১৮ পেরিয়ে গেলে, চাঁদ বেরিয়ে আসে।” — এমন ছোট্ট একটা পূর্বঘোষণা মনে রাখলে, বিকেল-সন্ধ্যার ঘড়ি ‘গল্পের পরের পাতা’ হয়ে ওঠে।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“সূর্য, কোন দিক থেকে উঠল?”

“এই দিক থেকে!”

“হ্যাঁ, আকাশের নিচ থেকে। …আর, কোন দিকে ঘুরছে?”

“এই দিকে!”

“সেটাই ঘড়ির দিক। একে বলে ‘ডানদিকে ঘোরা’।”

টিপ: এই মোডে “ঘড়ি কখনোই উল্টো ঘোরে না” — সেটাও পৌঁছে যায়। পেছনে ফেরাতে চাইলেও ফেরে না — একদম সময়ের মতোই।

05 প্রায় ৫ বছর / সকাল ও বিকেল

একই ৭টা, অথচ ভেতরটা আলাদা।

সেটিং AM / PM চেপে ধরে প্রিভিউ

EduClock আকাশের রঙ প্যালেটে PM ১৯:০০ দেখাচ্ছে। ডান দিকের PM বৃত্ত সন্ধ্যা-রাতের রঙে উজ্জ্বল, বাঁ দিকের AM বৃত্ত ফিকে হয়ে ঢাকা।
PM-এর ৭টা — আকাশের রঙ প্যালেটে সন্ধ্যার বেগুনি। একই ‘৭টা’ হলেও, সকালের ৭টার সঙ্গে রঙও আলাদা, বাইরের আলোও আলাদা।

AM ও PM-এর ব্যাজ চেপে ধরলে, সকাল আর বিকেল ঘুরে-ফিরে বদলে যায়।

সকালের ৭টা, আর রাতের ৭টা। একই ‘৭টা’ সংখ্যা হলেও, বাইরের আলো, আকাশের রঙ, বাড়িতে যা হচ্ছে — সব আলাদা। ৭টা মানে কেবল একটাই সময় নয়।

‘একই সংখ্যা দু-বার আসে’ — এই সত্যটা বড়দের কাছে এত স্বাভাবিক যে ব্যাখ্যাও মনে পড়ে না, শিশুর কাছে কিন্তু এটা আবিষ্কার। চেপে ধরলেই দৃশ্য বদলে যায় — এই অভিজ্ঞতাটাই শব্দের চেয়ে ভালো বুঝিয়ে দেয়।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“এখন, সকালের ৭টা। এই সময়ে কী করো?”

“দাঁত মাজি!”

“তাহলে, অন্য দিকের ৭টা?”

“…রাত?”

“হ্যাঁ, রাতের ৭টা। খাবার খাওয়ার পরের সময়টা।”

টিপ: জীবনের ঘটনার সঙ্গে জুড়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে দ্রুত। ‘সকালের খাবার = নীল / রাতের খাবার = পিংক’ — এমনভাবে রঙ ও ঘটনা জোড়া লাগিয়ে দিন।

06 ৫–৬ বছর / ২৪ ঘণ্টার রহস্য

merge করলে সাধারণ ঘড়ি। split করলে ভেতরের কাঠামো।

সেটিং free rotation × merge / split

বাঁ-উপরের “merge / split” বোতাম বারবার টিপলে, দুটি ঘড়ি-মুখ এক ডিস্কে ভাঁজ হয়ে যায়, বা ভেতরটা খোলে।

free rotation মোডে গেলে, “merge” ও “split” — এই দুটো বোতাম ফুটে ওঠে।

“merge” টিপলে, AM ও PM এক ঘড়ি-মুখে মিশে যায় — পাড়ার দেয়ালে ঝোলানো যে সাধারণ অ্যানালগ ঘড়ি আছে, ঠিক সেই আকৃতি হয়ে যায়।

“split” টিপলে, সকাল ও বিকেল আবার আলাদা দুই ঘড়ি-মুখ হয়ে ফিরে আসে।

এই দুটো বোতামের মধ্যে কয়েকবার এলো-মেলো গেলে, সাধারণ ঘড়ি এতদিন পেছনে যা করছিল, সেটা অবশেষে দেখা যায়।

「সাধারণ ঘড়ি আসলে ২৪ ঘণ্টাকে ১২ ঘণ্টার ভেতরে ভাঁজ করে রেখেছে।」

সেই ‘ভাঁজের দাগ’টাই শিশুর চোখে এতদিন ধরা পড়েনি। একবার দেখা গেলে, পাড়ার অ্যানালগ ঘড়িকেও আর ভয় পেতে হয় না।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“merge টিপলে, কী হয়?”

“ছোট হয়ে গেল!”

“হ্যাঁ, এটাই ঘরের দেয়াল ঘড়ির আকৃতি। split করলে, ভেতরটা এভাবে খুলে যায়।”

টিপ: ‘অ্যানালগ ঘড়ি = ২৪-ঘণ্টার ঘড়িকে সংক্ষেপে দেখানোর রূপ’ — এই সত্যটা যুক্তি দিয়ে নয়, অপারেশন দিয়েই দেখানো যায়। এই ব্যাখ্যা একমাত্র EduClock-ই দিতে পারে।

07 ৬–৭ বছর / কুইজে শেষ পর্ব

random দিয়ে, প্রশ্ন → উত্তর।

সেটিং free rotation × random

আকাশের রঙ প্যালেট × merge মোডে EduClock-এ random বোতাম টেপার সাথে সাথেই কাঁটা নতুন কোনো সময়ে ঘুরে গেছে।
আকাশের রঙ × merge অবস্থায় “random” একবার। শুধু কাঁটাগুলো মসৃণভাবে অন্য সময়ে সরে যায়।

“random” বোতামে সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টার ভেতরের ‘জেগে থাকার সময়’ থেকে, ১৫ মিনিট অন্তর র‍্যান্ডম সময় প্রশ্ন হিসেবে আসে। ঘড়ি-মুখে শুধু কাঁটা সরে যায়, সময়ের সংখ্যা দেখা যায় না।

বাবা/মা “ক’টা বাজে?” জিজ্ঞেস করেন, শিশু উত্তর দেয়। এতটুকুই সহজ কুইজ।

ঠিক হোক বা ভুল, কোনোটাই সমস্যা না। “রঙে বলতে পেরেছে”, “আন্দাজে বলতে পেরেছে”, “নিখুঁত বলতে পেরেছে” — যে ধাপেই উত্তর দিক, শিশুর ‘এখন’-এর অবস্থা স্পষ্ট বোঝা যায়।

ভূমিকা বদলে নিলে আরও মজা

বাবা-মায়ের উত্তরদাতার ভূমিকায় যাওয়াটা আসলে দারুণ সুপারিশ। গম্ভীর মুখ করে “উহু… ৪টা ১৫?” বললে, শিশু বেশ ভাব নিয়ে “না তো! ৩টা ১৫!” বলে শুধরে দেবে। এরপর অনেকদিন ঘড়ি সঙ্গীই থাকবে।

বাবা-মায়ের সাথে সংলাপ

“এই যে, ১ নম্বর প্রশ্ন। ক’টা বাজে?”

“লালের একটু পরে, বড় কাঁটা ১৫-এ… ১টা ১৫!”

“ঠিক! …তাহলে ২ নম্বর। এটা একটু কঠিন, দেখি?”

টিপ: ভুল হলেও “প্রায় হয়ে গিয়েছিল!” — মুখ ফুটে বলুন। পরের প্রশ্ন আসার আগে, রঙ দিয়ে আলতো করে উত্তরটা মনে করিয়ে দিন।

সব ধাপেই কাজে আসে,
এমন ৩টি টিপ।

১. জোর করবেন না।

ঘড়ি এক-দুই দিনে পড়তে শেখা যায় না। কিন্তু ৫ বছরের কোনো না কোনো সময়ে, অবশ্যই পড়তে শিখবে। বড়রা তাড়াহুড়ো করলে বরং পথই দীর্ঘ হয়। “আজ অন্যরকম দিন” বলে সহজেই গুটিয়ে নিন, সমস্যা নেই।

২. দৈনন্দিন সংকেত হিসেবে ব্যবহার করুন।

“নীল হলে বেরোব”, “পিংক হলে দাঁত মাজা” — জীবনের ভাগগুলোকে রঙের সাথে জুড়ে দিলে, অ্যাপটা কখন যেন পড়াশোনার টুল না থেকে ঘরের ছন্দই হয়ে ওঠে।

৩. ট্যাবলেটকে সরাসরি “ঘড়ি” বানিয়ে ফেলুন।

PWA দিয়ে হোম স্ক্রিনে অ্যাড করলে ফুলস্ক্রিনে চালু হয়। ব্যবহার না হওয়া কোনো ট্যাবলেট থাকলে, দাঁড় করিয়ে দিলেই রঙিন দেয়াল ঘড়ি তৈরি। “ঘড়ি পড়ার চর্চা” নয়, “ঘরে রঙিন ঘড়ি আছে” — এই অবস্থাটাই সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

পাশে বসুন,
একসাথে খুলে দেখুন।

প্রথম পদক্ষেপের জন্য, ধাপ ০১-এর “নীলের জায়গায়”-ই যথেষ্ট।

EduClock খুলুন →

← হোম পেজে ফিরে যান